মানুষ অধিকতর দুঃখ পেলে ক্ষুদ্রতর দুঃখকে ভুলে যায়
জাগ্রত চেতনা: দেখি, শুনি, পড়ি, জানি – মননে-বচনে-কর্মে সমাজ জাগরণ
মানুষ অধিকতর দুঃখ পেলে ক্ষুদ্রতর দুঃখকে ভুলে যায়
মানুষ অধিকতর দুঃখ পেলে ক্ষুদ্রতর দুঃখকে ভুলে যায়। কারণ বড় দুঃখ ছোট দুঃখকে গ্রাস করে ফেলে। আনন্দের ব্যাপারেও একই কথা খাটে। বড় কোন আনন্দের কারণ ঘটলে ছোট আনন্দকে মানুষ সহজে ভুলে যায়। এবং সময়েও দুঃখ, শোক বা সুখ, আনন্দ ধীরে ধীরে ম্লান হতে থাকে, তখন মন নতুন আনন্দের উৎস খোঁজে। মানুষ আনন্দকে ভুলতে চায় না, কিন্তু দুঃখ শোককে ভুলতে চায় প্রতিনিয়ত। তাই দুঃখ ভোলার জন্য মানুষ কতরকম উৎস খোঁজে। সবচেয়ে উৎকৃষ্ট উপায় হচ্ছে গান। পৃথিবীতে যত গান সৃষ্টি হয়েছে তার ৯০ শতাংশ দুঃখ ভোলার গান বা দুঃখের গান। গান দুঃখকে ধরে রাখে জীবন্ত করে। তবে গান প্রকৃত দুঃখ সৃষ্টি করে না, করে দুঃখের আবেশ সৃষ্টি। এই আবেশ প্রকৃত দুঃখকে ধীরে ধীরে ম্লান করে দেয়। এজন্য দুঃখের গান মানুষ এত বেশী পছন্দ করে। গান মনের তরঙ্গকে গানের তরঙ্গে রূপান্তর করে ফেলে। এবং দুঃখের পরিবর্তে আনন্দ অনুভব হতে থাকে। তখন মানুষ নব আনন্দে জাগে মানুষের মন।